শরিফ সাহেব আজ সকালে ভাবলেন রুটি পরোটা দিয়ে নাস্তা করবেন । কিন্তু তিনি যে অলস ব্যক্তি তার ঘরের বাহিরে যেতে মন চায় না । এমন পরিস্থিতিতে তিনি কিভাবে রুটি পরোটা খেতে পারেন । তিনি তার বন্ধু দিকপাল বাবুকে ফোন দিলেন । কিন্তু সে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে । এ কারণে তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি । শরীফ সাহেব রাগে ফোনটা তিন টুকরা করে ফেললেন ।এখন তিনি পড়ে গেলেন মহাবিপদে । কারন একটু পরে তার অফিসের একটি ফোন কল আসার কথা ছিল । কি করবেন ভাবতে লাগলেন । হঠাৎ মাথায় এলো যে তার বাসায় তো ল্যাপটপ আছে । যেটা তিনি গুলিস্তান থেকে মাত্র 600 টাকায় কিনেছিলেন । আর সেই ল্যাপটপটি 50 বছর আগের পুরানো । তিনি তার আলমারি থেকে ভাঙ্গা ল্যাপটপটি বের করলেন । কিন্তু ল্যাপটপটি কোনভাবেই ওপেন হচ্ছে না । শরিফ সাহেব রেগেমেগে ল্যাপটপটি ঘরের বাহিরে ফেলে দিলেন । এক ফকির সেই ল্যাপটপটি দেখতে পেল । সে ল্যাপটপটি কোনোমতে উঠিয়ে শহরের গণ্যমান্য একজন ব্যক্তির কাছে নিয়ে গেল । সে এত পুরানো আমলের ল্যাপটপ দেখে একটা কোম্পানিকে ফোন করলো । কোম্পানি এসে সেই ল্যাপটপটা নিয়ে গেল এবং সেই গণ্যমান্য ব্যক্তিকে 50 লাখ টাকা দিলো । আর সেই গণ্যমান্য ব্যক্তি যদিও তিনি ঘুষ খান না । তার পরেও তিনি 30 লাখ টাকা রেখে 20 লাখ টাকা ফকিরকে দিয়ে দিলো । সেই ফকির টাকা দিয়ে শরীফ সাহেবের বিল্ডিংয়ের পাশে সে একটি বিশাল বড় বিল্ডিং করলো । শরিফ সাহেব একদিন হঠাৎ সকালে ঘুম থেকে উঠে তার বাসার পাশে এত বড় বিল্ডিং দেখে জিজ্ঞাসা করলেন , আপনি তো একদিন ফকির ব্যক্তি ছিলেন । কিন্তু এত টাকা পেয়েছেন কোথায় ?
সে তখন শরীফ সাহেবকে পিছনের সকল ঘটনা বললো ।
শরিফ সাহেব এ ঘটনা শুনে আক্ষেপ করতে লাগলেন ।কেননা যদি তিনি সেই ল্যাপটপটি ফেলে না দিয়ে কোম্পানির কাছে ইনভেস্ট করতেন তাহলে হয়তো তিনিই আজকে 20 লাখ টাকা পেতেন ।
পূর্ববর্তী পরবর্তী পড়তে এখানে ক্লিক করুন
